সমুদ্র বিলাস ! মালদ্বীপ

February 11, 2019
Uncategorized

পৃথিবীর অনেকগুলো দেশের মধ্যে মালদ্বীপ এর অবস্থান বরাবরই একটু ভিন্ন ধরনের । সমুদ্রের বিশালতা অথবা অপার সৌন্দর্যের দিক দিয়ে হয়তবা অনেকেই অনেক দেশের সমুদ্র সৈকত এর স্মৃতি চারণ করতে পারেন ; কিন্তু মালদ্বীপের সমুদ্র সৈকত গুলোই মনে হয় অনেকের চেয়ে ব্যতিক্রম; এখানের জলরাশি গুলো একে অপরের সাথে যেন কথা বলে । স্রষ্টার অসাধারণ সৃষ্টি গুলোকে যেনো পরম মায়ায় বুকে জড়িয়ে নেয় খেলা করে অনন্ত কালের আপনজন হিসেবে।হাজার খানেক দ্বীপপুঞ্জ মিলে মালদ্বীপ দেশটির উৎপত্তি এবং এটিই একে বিশ্বের সবচেয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দেশের মধ্যে তালিকা ভুক্ত করেছে। যেহেতু সমুদ্রের মাঝেই দেশটির বিচরণ তাই ভৌগলিক অবস্থান টা পাকা পোক্ত করতে জলবায়ু ঠিক রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । দেশটির অর্থনীতি সবসময়ই চাঙ্গা রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে দেশটির পর্যটন শিল্প । আর তা হবেই না বা কেনো; এইরকম নীলাভ এবং স্বচ্ছ সমুদ্র সৈকত তো আর চাইলেই পাওয়া যায় না ।তুলির ছবিতে আঁকা মালদ্বীপ কে আরও সৌন্দর্য্য বর্ধনে সহযোগিতা করেছে বিভিন্ন নামি দামী অধিষ্ঠান গুলো । এর একটি দীপকে এক একটি অধিষ্ঠান এর আওতায় নিয়ে দীপগুলোকে করে তুলেছে সম্পূর্ণ অত্যাধুনিক ধারার সুযোগ সম্বলিত আবাস স্থল । এবং এর মধ্যে প্রকৃতির ছোয়াই শতভাগ এর কাছাকাছি । ভ্রমণ পিপাসুরা হাজার ব্যাস্ত জীবনের মধ্যে যে অল্প সময়টি নিজেদেরকে দেয় তা আসলে কৃত্তিমত্তার জন্য নয় আর এই জন্যই হয়ত বা প্রতিটি দ্বীপ কে সাজানো হয়েছে আধুনিকতার আলোকে প্রকৃতিকে ভালোবেসে । হাজারো কাজের ভিড়ে সময় না পাওয়া মানুষ গুলোকে স্বপ্ন দেখাতেই হয়তো এখনকার আবাস স্থল গুলোকে সাজানো হয়েছে স্বপ্নের মতো করে কোনোটা সৈকতের উপরে আবার কোনোটা পানির উপরে; যেখান থেকে রঙিন মাছেদের খেলা দেখা যায় । আবার কোনো কোনো দ্বীপ তো নিজেই জ্বলে উঠে নীলাভ রঙ নিয়ে যেন পানির মাঝে অনেকগুলো ছোট ছোট নীল আলোর বল ছেড়ে দেওয়া হয়েছে । এটা অবশ্য রাত্রি ছাড়া দেখা সম্ভব নয় । উপরের কালো আকাশে হাজার তারার খেলা আর নিচে পানিতে হাত দিলেই নীল আলোর ঝলকানি । এ অপরূপ সৌন্দর্য্যই হয়তো মালদ্বীপকে রূপে সবার থেকে অনন্য করে তুলেছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *